অংশীদারি ব্যবসা আয়ের জন্য আয়কর রিটার্ন ফাইলিং

প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বিশেষজ্ঞ এবং অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার সহায়তা আপনার অংশীদারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের হিসাব বিবরণী, লাভ-ক্ষতি এবং স্থিতিপত্র প্রস্তুত করুন।

4.7
Rated 4.7 out of 5
অংশীদারি ব্যবসা
৳৫,৭৩৯
প্রচলিত মূল্যঃ ৳৮,১৯৯
পেমেন্ট সম্পন্ন করুন

এই পরিকল্পনা সম্পর্কে

অংশীদারি ব্যবসায়ি/পেশাজীবী হিসাবে আয়কর রিটার্ন ফাইল করতে আমাদের পরিষেবা ব্যবহার করে সহজে এবং সময়মত ট্যাক্স রিটার্ন ফাইল করতে পারেন। আমাদের পরিষেবা ব্যবহার করে আপনি আপনার অংশীদারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আয়কর রিটার্ন ফর্ম ও বার্ষিক তথ্য বিবরণী নথিগুলি জমা করে দিতে পারেন। আমাদের বিশেষজ্ঞদের দল আপনাদের নথিগুলি বিশ্লেষণ করবে এবং সঠিকভাবে আপনার অংশীদারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আয়কর রিটার্ন ফাইল করতে সহায়তা করবে। আমরা অংশীদারি ব্যবসায়ি/পেশাজীবীদের নির্দিষ্ট চাহিদা মেটাতে এই পরিষেবাটি ডিজাইন করেছি। আপনি আমাদের পরিষেবাটি ব্যবহার করে সহজে আয়কর রিটার্ন ফাইলিং করতে পারেন এবং আয়কর রিটার্ন ফাইলিং সম্পর্কিত ঝামেলা মুক্ত হতে পারেন।

সেবা অন্তর্ভুক্ত

  • বিশেষজ্ঞ দ্বারা অংশীদারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান (ফার্ম) করদাতার আয়কর রিটার্ন ফাইলিং/ব্যবস্থাপনা।
  • প্রতিদিনের কর্মক্ষেত্রের সময়ে (দিনের শুরু থেকে শেষ সময়) ইমেল, ফোন এবং চ্যাটের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞের সহায়তা ।

যাদের জন্য পরিষেবাটি প্রয়োজনীয়

  • অংশীদারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান (ফার্ম) যার বার্ষিক টার্নওভার ৩ (তিন) কোটি টাকার অধিক নয়।।

কার্যপ্রণালী

  • আপনার বার্ষিক তথ্য বিবরনী সহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র taxes.com.bd টিমের নিকট প্রাপ্তির পরে, প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগে আমাদের বিশেষজ্ঞ আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।
  • যদি প্রয়োজন হয়, বিশেষজ্ঞ হোয়াটসঅ্যাপ, ম্যাসেঞ্জার, ইমেল এবং ফোন কলের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান ও পরিবর্তন করবে।
  • বিশেষজ্ঞ আপনার পর্যালোচনার জন্য খসড়া আয়কর রিটার্ন ফরম ও আয়কর পরিগননা শীট প্রেরণ করবে।
  • আপনার পর্যালোচনার পর, নিশ্চিত হয়ে, taxes.com.bd টিম আপনার রিটার্ন ই-ফাইল অথবা হাতে হাতে/ম্যানুয়ালি আয়কর কর্তৃপক্ষের নিকট জমা করবে এবং আপনাকে প্রাপ্তিস্বীকার পত্র প্রেরণ করবে।
  • আনুমানিক প্রক্রিয়াকাল: ই-রিটার্ন ১ দিন, ম্যানুয়ালি ৩ দিন।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

  • ট্রেড লাইসেন্স।
  • ব্যবসা বা পেশার আয়-ব্যয়ের বিবরণী (Income Statement) ও স্থিতিপত্র ( Balance Sheet) এবং ব্যাংক বিবরণীসহ অন্যান্য প্রমাণকসমূহ।

আয়কর সংক্রান্ত সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

ই-টিআইএন মানে ইলেকট্রনকি ট্যাক্স আইডেনটিফিকেশন নাম্বার, ইহা আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করন। ইহা ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর। একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই-টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।

আয়কর হচ্চে ব্যক্তি বা সত্ত্বার আয় বা লভ্যাংশরে উপর প্রদেয় কর। আয়কর আইন, ২০২৩ এর আওতায় কর বলতে আয়কর আইন অনুযায়ী আয়ের উপর প্রদেয় কর, এবং যেকোনো অতিরিক্ত কর, অতিরিক্ত মুনাফা কর, দণ্ড কর, সুপার কর, জরিমানা, সুদ, ফি অথবা এই আইনের অধীন অন্যবিধ আরোপযোগ্য বা পরিশোধযোগ্য অর্থকে বুঝায়। অন্য ভাবে বলা যায় যে. কর হচেছ রাষ্টে্র সকল জনসাধারনের স্বার্থে রাষ্টে্র ব্যয় নিরবাহের জন্য সরকারকে প্রদত্ত বাধ্যতামৃলক অর্থ ।

আয়কর কর্তৃপক্ষের নিকট একজন করদাতার বার্ষিক আয়, ব্যয় এবং সম্পদের তথ্যাবলী নির্ধারিত ফরমে উপস্থাপন করার মাধ্যম হচ্ছে রিটার্ন। আয়কর আইন অনুযায়ী স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার রিটার্ন সকল প্রকার আয়ের বিবরণী, বাংলাদেশে এবং বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত সকল প্রকার পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণী এবং, ক্ষেত্রমত, জীবনযাপন সংশ্লিষ্ট সকল প্রকার ব্যয়ের বিবরণী সংবলিত হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে রিটার্ন দাখিল করতে হয়।

কারা রিটার্ন দাখিল করবেন তা দুই ভাগে চিহ্নিত করা যায়, যথা:-
      ক. যাদের করযোগ্য আয় রয়েছে; এবং
      খ. যাদেরকে আবশ্যিকভাবে রিটার্ন দাখিল করতে হবে।
করযোগ্য আয়ের ভিত্তিতে যাদেরকে রিটার্ন দাখিল করতে হবে
  • ১. কোন স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার (individual) আয় যদি বছরে ৩,৫০,০০০ টাকার বেশি হয়;
  • ২. মহিলা এবং ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতার আয় যদি বছরে ৪,০০,০০০ টাকার বেশি হয়;
  • ৩. তৃতীয় লিঙ্গের করদাতা এবং প্রতিবন্ধী স্বাভাবিক করদাতার আয় যদি বছরে ৪,৭৫,০০০ টাকার বেশি হয়;
  • ৪. গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার আয় যদি বছরে ৫,০০,০০০ টাকার বেশি হয়।
যাদেরকে আবশ্যিকভাবে রিটার্ন দাখিল করতে হবে
  • ১. করদাতার মোট আয় করমুক্ত সীমা অতিক্রম করলে;
  • ২. আয়বর্ষের পূর্ববর্তী তিন বছরের যেকোনো বছর করদাতার কর নির্ধারণ হয়ে থাকে বা তার আয় করযোগ্য হয়ে থাকে;
  • ৩. ফার্মের অংশীদার হলে;
  • ৪. কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডার কর্মচারী হলে;
  • ৫. গণকর্মচারী হলে;
  • ৬. কোন ব্যবসায় বা পেশায় যেকোন নির্বাহী বা ব্যবস্থাপনা পদে বেতনভোগী কর্মী হলে;
  • ৭. কর অব্যাহতি প্রাপ্ত বা হ্রাসকৃত হারে করযোগ্য আয় থাকলে;
  • ৮. করারোপযোগ্য আয় না থাকা সাপেক্ষে, ২০ (বিশ) লক্ষাধিক টাকার ঋণ গ্রহণে;
  • ৯. আমদানি নিবন্ধন সনদ বা রপ্তানি নিবন্ধন সনদ প্রাপ্তিতে ও বহাল রাখতে;
  • ১০. সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য ও নবায়নের জন্য;
  • ১১. সমবায় সমিতির নিবন্ধন প্রাপ্তিতে;
  • ১২. সাধারণ বিমার তালিকাভুক্ত সার্ভেয়ার হতে এবং লাইসেন্স প্রাপ্তিতে ও নবায়ন করতে;
  • ১৩. সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা ও ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় ১০ (দশ) লক্ষাধিক টাকার জমি, বিল্ডিং বা অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রয় বা লিজ বা হস্তান্তর বা বায়নানামা বা আমমোক্তারনামা নিবন্ধন করতে;
  • ১৪. ক্রেডিট কার্ড প্রাপ্তিতে ও বহাল রাখতে;
  • ১৫. চিকিৎসক, দন্ত চিকিৎসক, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট, কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টেন্ট, প্রকৌশলী, স্থপতি অথবা সার্ভেয়ার হিসাবে বা সমজাতীয় পেশাজীবী হিসাবে কোনো স্বীকৃত পেশাজীবী সংস্থার সদস্যপদ প্রাপ্তিতে ও বহাল রাখতে;
  • ১৬.Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 (Act No. LII of 1974) এর অধীন নিকাহ্ রেজিস্ট্রার, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৪০ নং আইন) এর অধীন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক ও Special Marriage Act, 1872 (Act No. III of 1872) এর অধীন রেজিস্ট্রার হিসাবে লাইসেন্স প্রাপ্তি বা, ক্ষেত্রমত, নিয়োগপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে বহাল রাখতে;
  • ১৭. ট্রেডবডি বা পেশাজীবী সংস্থার সদস্যপদ প্রাপ্তি ও বহাল রাখতে;
  • ১৮. ড্রাগ লাইসেন্স, ফায়ার লাইসেন্স, পরিবেশ ছাড়পত্র, বিএসটিআই লাইসেন্স ও ছাড়পত্র প্রাপ্তি ও নবায়নে;
  • ১৯. যেকোনো এলাকায় গ্যাসের বাণিজ্যিক ও শিল্প সংযোগ প্রাপ্তি ও বহাল রাখতে এবং সিটি কর্পোরেশন এলাকায় আবাসিক গ্যাস সংযোগ প্রাপ্তি এবং বহাল রাখতে;
  • ২০. লঞ্চ, স্টিমার, মাছ ধরার ট্রলার, কার্গো, কোস্টার, কার্গো ও ডাম্ব বার্জসহ যেকোনো প্রকারের ভাড়ায় চালিত নৌযানের সার্ভে সার্টিফিকেট প্রাপ্তি ও বহাল রাখতে;
  • ২১. পরিবেশ অধিদপ্তর বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হইতে ইট উৎপাদনের অনুমতি প্রাপ্তি ও নবায়নে;
  • ২২. সিটি কর্পোরেশন, জেলা সদর বা পৌরসভায় অবস্থিত ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে শিশু বা পোষ্য ভর্তিতে;
  • ২৩. সিটি কর্পোরেশন বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ প্রাপ্তি বা বহাল রাখতে;
  • ২৪. কোম্পানির এজেন্সী বা ডিস্ট্রিবিউটরশিপ প্রাপ্তি ও বহাল রাখতে;
  • ২৫. আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রাপ্তি ও বহাল রাখতে;
  • ২৬. আমদানির উদ্দেশ্যে ঋণপত্র খোলায়;
  • ২৭. ৫ (পাঁচ) লক্ষাধিক টাকার পোস্ট অফিস সঞ্চয়ী হিসাব খোলায়;
  • ২৮. ১০ (দশ) লক্ষাধিক টাকার মেয়াদী আমানত খোলায় ও বহাল রাখতে;
  • ২৯. ৫ (পাঁচ) লক্ষাধিক টাকার সঞ্চয়পত্র ক্রয়ে;
  • ৩০. পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন বা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণে;
  • ৩১. মোটরযান, স্পেস বা স্থান, বাসস্থান অথবা অন্যান্য সম্পদ সরবরাহের মাধ্যমে শেয়ারড ইকোনমিক এক্টিভিটিজে অংশগ্রহণ করতে;
  • ৩২. ব্যবস্থাপনা বা প্রশাসনিক বা উৎপাদন কার্যক্রমের তত্ত্বাবধানকারী পদমর্যাদায় কর্মরত ব্যক্তির বেতন-ভাতাদি প্রাপ্তিতে;
  • ৩৩. মোবাইল ব্যাংকিং বা ইলেক্ট্রনিক উপায়ে টাকা স্থানান্তরের মাধ্যমে এবং মোবাইল ফোনের হিসাব রিচার্জের মাধ্যমে কমিশন, ফি বা অন্য কোনো অর্থ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে;
  • ৩৪. অ্যাডভাইজরি বা কন্সান্টেন্সি সার্ভিস, ক্যাটারিং সার্ভিস, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সার্ভিস, জনবল সরবরাহ, নিরাপত্তা সরবরাহ সেবা বাবদ নিবাসী কর্তৃক কোনো কোম্পানি হইতে কোনো অর্থ প্রাপ্তিতে
  • ৩৫. Monthly Payment Order বা এমপিও ভূক্তির মাধ্যমে সরকারের নিকট হইতে মাসিক ১৬ (ষোল) হাজার টাকার ঊর্ধ্বে কোনো অর্থপ্রাপ্তিতে;
  • ৩৬. বিমা কোম্পানির এজেন্সি সার্টিফিকেট নিবন্ধন বা নবায়নে;
  • ৩৭. দ্বি-চক্র বা ত্রি-চক্র মোটরযান ব্যতীত অনান্য মোটরযানের নিবন্ধন, মালিকানা পরিবর্তন বা ফিটনেস নবায়নকালে ;
  • ৩৮. এনজিও বিষয়ক ব্যুরোতে নিবন্ধিত এনজিও বা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি হইতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থার অনুকূলে বিদেশি অনুদানের অর্থ ছাড় করতে;
  • ৩৯. বাংলাদেশে অবস্থিত ভোক্তাদের নিকট ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করিয়া পণ্য বা সেবা বিক্রয়ে;
  • ৪০. কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) এবং Societies Registration Act, 1860 (Act No. XXI of 1860) এর অধীন নিবন্ধিত কোনো ক্লাবের সদস্যপদ লাভের আবেদনের ক্ষেত্রে;
  • ৪১. পণ্য সরবরাহ, চুক্তি সম্পাদন বা সেবা সরবরাহের উদ্দ্যেশে নিবাসী কর্তৃক টেন্ডার ডকুমেন্টস্ দাখিলকালে;
  • ৪২. কোনো কোম্পানি বা ফার্ম কর্তৃক কোনো প্রকার পণ্য বা সেবা সরবরাহ গ্রহণকালে; ৪৩. পণ্য আমদানি বা রপ্তানির উদ্দ্যেশে বিল অব এন্ট্রি দাখিলকালে;
  • ৪৪. রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ), রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ), গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা, সময় সময়, সরকার কর্তৃক গঠিত অনুরূপ কর্তৃপক্ষ অথবা সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট অনুমোদনের নিমিত্ত ভবন নির্মাণের নকশা দাখিলকালে;
  • ৪৫. স্ট্যাম্প, কোর্ট ফি ও কার্টিজ পেপারের ভেন্ডর বা দলিল লেখক হিসাবে নিবন্ধন, লাইসেন্স বা তালিকাভুক্তি করতে এবং বহাল রাখতে;
  • ৪৬. ট্রাস্ট, তহবিল, ফাউন্ডেশন, এনজিও, মাইক্রোক্রডিট অরগানাইজেশন, সোসাইটি এবং সমবায় সমিতির ব্যাংক হিসাব খুলতে এবং চালু রাখতে;
  • ৪৭. কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি কর্তৃক সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বাড়ি ভাড়া বা লিজ গ্রহণকালে বাড়ির মালিকের;
  • ৪৮. কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি কর্তৃক পণ্য বা সেবা সরবরাহ গ্রহণকালে সরবরাহকারীর বা সেবা প্রদানকারীর।

যে সকল ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, রিটার্ন দাখিল না করলে সে সকল সেবা হতে বঞ্চিত হতে হবে। যেমন- ক্ষেত্রমত, গ্যাস ও বিদ্যুৎসংযোগ পাওয়া যাবে না কিংবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন হবে, বেতন-ভাতাদি প্রাপ্তিতে অসুবিধা হবে ইত্যাদি।

    এছাড়াও নিম্নবর্ণিত বিষয়াদির মুখোমুখি হবার সম্ভাবনা রয়েছে, যেমন-
    ক। আয়কর আইনের ধারা ২৬৬ অনুযায়ী উপকর কমিশনার কর্তৃক আরোপিত জরিমানা পরিশোধ করা:
    খ। উপকর কমিশনার কর্তৃক একতরফাভাবে নির্ধারিত কর পরিশোধ করা।

ট্র্যাক্স ডিডাকসান এটসোর্স (উৎসে কর কর্তন)। যখন কোন আয় হবে যেখানে হবে সেখানেই টাকা পরিশোধের সময় নির্দিষ্ট হারে কর কেটে তা সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে। যেহেতু আয়ের উৎস যেখানে এবং আয় পরিশোধের সময় এই কর কেটে রাখা হয় তাই এই কর উৎসে কর হিসেবে পরিচিত। কর্তনকারী কর্তৃপক্ষ কর্তন করে চালানের মাধ্যমে জমা দিবে। করদাতার আয় থেকে উৎসে কর্তনের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সত্তা কর্তিক উৎস কর কেটে রাখা হলে তা প্রচলিত রিটার্ন ফরম আইটি-১১গ(২০২৩) এর ২০ নং ক্রমিকে আয়বছরে উল্লেখ করতে হবে। যেমন বেতন, ব্যাংক সুদ, গৃহ-সম্পত্তির বার্ষিক ভাড়া, পেশাগত ফি, ইত্যাদি থেকে উৎসে কেটে রাখা কর এখানে দেখাতে হবে। উৎস কেটে রাখা করের স্বপক্ষে কর কর্তনকারী কর্তৃপক্ষের সার্টিফিকেট রিটার্নের সাথে দাখিল করতে হবে।

করদাতা কর্তৃক রিটার্ন দাখিলের সর্বশেষ তারিখ হলো করদিবস। করদিবসের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে কোনো প্রকার জরিমানা বা অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হয় না। আয়কর আইন অনুযায়ী স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতাদের জন্য প্রতি বছরের ৩০ নভেম্বর করদিবস। ২০২৩-২০২৪ করবর্ষের জন্য ৩০ নভেম্বর ২০২৩ তারিখ হচ্ছে করদিবস, অর্থাৎ রিটার্ন দাখিলের সর্বশেষ তারিখ। একজন স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা ১ জুলাই ২০২৩ থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৩ তারিখের মধ্যে ২০২৩-২০২৪ করবর্ষের রিটার্ন দাখিল করবেন। এছাড়াও, নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে ভিন্ন ভিন্ন করদিবস রয়েছে, যেমন-

    (ক) কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা যিনি পূর্বে কখনোই রিটার্ন দাখিল করেননি তার জন্য ২০২৩-২০২৪ করবর্ষের করদিবস ২০২৪ সনের ৩০ জুন;
    (খ) বিদেশে অবস্থানরত কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে, তার বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের দিন হতে ৯০ (নব্বই) তম দিন, যদি উক্তরূপ ব্যক্তি-
    1. (অ) উচ্চ শিক্ষার জন্য ছুটিতে অথবা চাকরির জন্য প্রেষণে বা লিয়েনে নিযুক্ত হয়ে বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থান করেন; বা
    1. (আ) অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে বৈধ ভিসা এবং পারমিটধারী হয়ে বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থান করেন;
    (গ) করদিবসের তারিখ যেক্ষেত্রে সরকারি ছুটির দিন সেক্ষেত্রে উক্ত দিনের অব্যবহিত পরবর্তী কর্মদিবস।

কর রেয়াত হচ্ছে এক ধরণের কর অব্যাহতি। কোনো করদাতার গ্রস করদায়ের বিপরীতে আইনানুযায়ী ছাড় প্রাপ্তির বিষয়টি হচ্ছে কর রেয়াত। কর রেয়াত প্রাপ্তির পূর্বশর্ত হচ্ছে করদাতার করদায় থাকতে হবে। অর্থাৎ যেক্ষেত্রে করদাতার কোনো প্রকার করদায় নেই সেক্ষেত্রে করদাতা কোনো প্রকার কর রেয়াত প্রাপ্ত হবেন না। যেক্ষেত্রে করদাতার করদায় অপেক্ষা করদাতা কর্তৃক দাবীকৃত আইনানুগ কর রেয়াতের পরিমাণ বেশি সেক্ষেত্রে নুন্যতম করদায় পরিশোধ সাপেক্ষে রেয়াতের পরিমাণ সমন্বয় হবে।

একজন করদাতার বিনিয়োগের উল্লেখযোগ্য খাতগুলো হলো :
 
    →জীবন বিমার প্রিমিয়াম
    → সরকারি কর্মকর্তার প্রভিডেন্ট ফান্ডে চাঁদা;
    → স্বীকৃত ভবিষ্য তহবিলে নিয়োগকর্তা ও কর্মকর্তার চাঁদা;
    → কল্যাণ তহবিল ও গোষ্ঠী বিমা তহবিলে চাঁদা;
    → সুপার এনুয়েশন ফান্ডে প্রদত্ত চাঁদা;
    → যে কোনো তফসিলি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ডিপোজিট পেনশন স্কীমে বার্ষিক সর্বোচ্চ ১,২০,০০০ টাকা বিনিয়োগ;
    → যেকোনো সিকিউরিটিজ ক্রয়ে ৫,০০,০০০ টাকার বিনিয়োগ;
    → বাংলাদেশের স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার, স্টক, মিউচ্যুয়াল ফান্ড বা ডিবেঞ্চারে বিনিয়োগ
    → জাতির পিতার স্মৃতি রক্ষার্থে নিয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানে অনুদান; → যাকাত তহবিলে দান;
    → জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত কোনো দাতব্য হাসপাতালে দান;
    → প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে স্থাপিত প্রতিষ্ঠানে দান;
    → মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরে প্রদত্ত দান;
    → আহসানিয়া ক্যান্সার হাসপাতালে দান;
    → ICDDRB তে প্রদত্ত দান;
    → CRP, সাভার এ প্রদত্ত দান;
    → সরকার কর্তৃক অনুমোদিত জনকল্যাণমুলক বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দান;
    → এশিয়াটিক সোসাইটি, বাংলাদেশ এ দান;
    → ঢাকা আহসানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতালে দান;
    → মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রক্ষার্থে নিয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের কোনো প্রতিষ্ঠানে অনুদান।

ব্যক্তি করদাতার করমুক্ত আয়ের কয়েকটি খাত নীচে উল্লেখ করা হলো:

(১) সরকারি পেনশন তহবিল হতে করদাতা কর্তৃক গৃহীত বা করদাতার বকেয়া পেনশন;

(২) সরকারি আনুতোষিক তহবিল হতে করদাতা কর্তৃক আনুতোষিক হিসাবে গৃহীত অনধিক ২ (দুই) কোটি ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা আয়;

(৩) কোনো স্বীকৃত ভবিষ্য তহবিল, অনুমোদিত বার্ধক্য তহবিল, পেনশন তহবিল এবং অনুমোদিত আনুতোষিক তহবিল হতে তাদের সুবিধাভোগীদের মাঝে বিতরণকৃত আয় যা উক্ত তহবিলের হাতে করারোপিত হয়েছে:

(৪) ভবিষ্য তহবিল আইন, ১৯২৫ (১৯২৫ সনের ১৯ নং আইন) প্রযোজ্য এইরূপ কোনো ভবিষ্য তহবিলে উদ্ভুত বা উপচিত অথবা ভবিষ্য তহবিল হইতে উদ্ভুত কোনো আয়;

(৫) সরকারি সংস্থা, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, বা স্বায়ত্বশাসিত বা আধা-স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা ও তাহাদের নিয়ন্ত্রিত ইউনিটসমূহ বা প্রতিষ্ঠানসমুহের কোনো কর্মচারী কর্তৃক স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণের সময় এই উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক অনুমোদিত কোনো পরিকল্প অনুসারে গৃহীত যেকোনো পরিমাণ অর্থ;

(৬) পেনশনারস সেভিংস সার্টিফিকেট হইতে সুদ হিসাবে গৃহীত কোনো অর্থ বা গৃহীত অর্থের সমষ্টি, যেইক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষের শেষে উক্ত সার্টিফিকেটের বিনিয়োগকৃত অর্থের মোট পুঞ্জীভূত অর্জিত মূল্য/ প্রকৃত মূল্য/ আক্ষরিক মূল্য/ ক্রয় মূল্য অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা হয়;

(৭) কোনো নিয়োগকারী কর্তৃক কোনো কর্মচারীর ব্যয় পুনর্ভরণ যদি-

  • (ক)উক্ত ব্যয় সম্পূর্ণভাবে এবং আবশ্যকতা অনুসারে কর্মচারীর দায়িত্ব পালনের সূত্রে ব্যয়িত করা হয়; এবং
  • (খ)নিয়োগকারীর জন্য উক্ত কর্মচারীর মাধ্যমে এইরূপ ব্যয় নির্বাহ সর্বাধিক সুবিধাজনক ছিল;

(৮) কোনো অংশীদারী ফার্মের অংশীদার হিসাবে কোনো করদাতা কর্তৃক মূলধনি আয়ের অংশ হিসাবে প্রাপ্ত আয়ের অংশ যাহার উপর উক্ত ফার্ম কর্তৃক কর পরিশোধ করা হয়েছে;

(৯) হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের সদস্য হিসাবে একজন করদাতা যে পরিমাণ অর্থ প্রাপ্ত হন, যাহার উপর উক্ত পরিবার কর্তৃক কর পরিশোধিত;

(১০) বাংলাদেশি কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা কর্তৃক বিদেশে উপার্জিত কোনো আয় যা তিনি বৈদেশিক রেমিটেন্স সম্পর্কিত বিদ্যমান আইন অনুসারে বাংলাদেশে আনয়ন করেন;

(১১) কোনো করদাতা কর্তৃক ওয়েজ আর্নারস ডেভলপমেন্ট ফান্ড, ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ড, ইউরো প্রিমিয়াম বন্ড, ইউরো ইনভেস্টমেন্ট বন্ড, পাউন্ড স্টারলিং ইনভেস্টমেন্ট বন্ড বা পাউন্ড স্টারলিং প্রিমিয়াম বন্ড হতে গৃহীত কোনো আয়;

(১২) রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তির আয় যা কেবল উক্ত পার্বত্য জেলায় পরিচালিত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড হতে উদ্ভূত হয়েছে;

(১৩) কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তির “কৃষি হইতে আয়” খাতের আওতাভুক্ত অনধিক ২ (দুই) লক্ষ টাকা পর্যন্ত কোনো আয়, যদি উক্ত ব্যক্তি-

  • (ক) পেশায় একজন কৃষক হন;
  • (খ) এর সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে নিম্নবর্ণিত আয় ব্যতীত কোনো আয় না থাকে, যথা;-
    • (অ) জমি চাষাবাদ হতে উদ্ভূত আয়;
    • (আ) সুদ বা মুনাফা বাবদ অনধিক ২০ (বিশ) হাজার টাকা আয়।

(১৪) জুলাই ১, ২০২০ হইতে ৩০ জুন, ২০২৪ তারিখ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে নিম্নবর্ণিত কোনো ব্যবসা হতে উদ্ভূত নিবাসী ব্যক্তি বা অনিবাসী বাংলাদেশি ব্যক্তির আয়, যথা:-

  • (ক) সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট;
  • (খ) সফটওয়ার বা এ্যাপ্লিকেশন কাস্টমাইজেশন;
  • (গ) নেশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন);
  • (ঘ) ডিজিটাল এনিমেশন ডেভেলপমেন্ট;
  • (ঙ) ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট;
  • (চ) ওয়েবসাইট সার্ভিস;
  • (ছ) ওয়েব লিস্টিং ;
  • (জ) আইটি প্রসেস আউটসোর্সিং;
  • (ঝ) ওয়েবসাইট হোস্টিং;
  • (ঞ) ডিজিটাল গ্রাফিক্স ডিজাইন;
  • (ট) ডিজিটাল ডাটা এন্ট্রি ও প্রসেসিং;
  • (ঠ) ডিজিটাল ডাটা এনালিটিক্স;
  • (ড) গ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিস (জিআইএস);
  • (ঢ) আইটি সহায়তা ও সফটওয়ার মেইনটেন্যান্স সার্ভিস;
  • (ণ) সফটওয়ার টেস্ট ল্যাব সার্ভিস;
  • (ত) কল সেন্টার সার্ভিস;
  • (থ) ওভারসিজ মেডিকেল ট্রান্সক্রিপশন ;
  • (দ) সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সার্ভিস ;
  • (ধ) ডকুমেন্ট কনভারশন, ইমেজিং ও ডিজিটাল আর্কাইভিং;
  • (ন) রোবোটিক্স প্রসেস আউটসোর্সিং;
  • (প) সাইভার সিকিউরিটি সার্ভিস;
  • (ফ) ক্লাউড সর্ভিস;
  • (ব) সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন;
  • (ভ) ই-লার্নিং প্লাটফর্ম;
  • (ম) ই-বুক পাব্লিকেশন;
  • (য) মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট সার্ভিস; এবং
  • (র) আইটি ফ্রি ল্যান্সিং;

(১৫) জুলাই ১, ২০২০ হইতে ৩০ জুন, ২০২৪ তারিখের মধ্যে হস্তশিল্প রপ্তানি হতে উদ্ভুত কোনো আয়;

(১৬) যেকোনো পণ্য উৎপাদনে জড়িত ক্ষুদ্র বা মাঝারি শিল্প হতে উদ্ভুত আয়, যার-

  • (ক) শিল্পটি নারীর মালিকানাধীন হলে, বাৎসরিক টার্নওভার অনধিক ৭০ (সত্তর) লক্ষ টাকা;
  • (খ) অন্যান্য ক্ষেত্রে, বাৎসরিক টার্নওভার অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা ;

(১৭) নিম্নবর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে, ব্যাংক, বিমা বা কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান ব্যতীত ব্যক্তি কর্তৃক জিরো কুপন বন্ড হতে উদ্ভুত কোনো আয়, যথা:-

  • (ক) বাংলাদেশ ব্যাংক বা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করিয়া কোনো ব্যাংক, বিমা বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উক্ত জিরো কুপন বন্ড ইস্যু করা হয়েছে;
  • (খ) বাংলাদেশ ব্যাংক বা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করে কোনো ব্যাংক, বিমা বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ব্যতীত অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান কর্তৃক জিরো কুপন বন্ড ইস্যু করা হয়েছে;

(১৮) “চাকরি হইতে আয়” হিসাবে পরিগণিত আয়ের এক-তৃতীয়াংশ বা ৪ (চার) লক্ষ ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা যা কম;

(১৯) কোনো ব্যক্তি কর্তৃক বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট হইতে গৃহীত সম্মানি বা ভাতা প্রকৃতির কোনো অর্থ বা সরকারের নিকট হইতে গৃহীত কোনো কল্যাণ ভাতা ;

(২০) সরকার হতে কোনো ব্যক্তি কর্তৃক গৃহীত কোনো পুরস্কার;

(২১) কোনো বৃদ্ধাশ্রম পরিচালনা হতে উদ্ভুত কোনো আয়:

(২২) ৩০ জুন ২০৩০ তারিখের মধ্যে কোনো Ocean going ship being Bangladeshi flag carrier কর্তৃক অর্জিত ব্যবসার আয় ফরেন রেমিট্যান্স সংক্রান্ত বিধানাবলি অনুসরণ করে বাংলাদেশে আনীত হলে অনুরূপ আয়।

গ্রাহক পর্যালোচনা

গড় রেটিং

4.7
Rated 4.7 out of 5
taxes.com.bd থেকে যেভাবে সাহায্য পাবেনঃ
WhatsApp Button with Image

আপনার হোয়াটসঅ্যাপ থেকে চ্যাট করতে নিচের হোয়াটসঅ্যাপ বোতামে ক্লিক করুন:

WhatsApp Icon হোয়াটসঅ্যাপ
call-button Button with Image

আপনার মোবাইল থেকে কল করতে নিচের কল করুন বোতামে ক্লিক করুন:

Phone Icon কল করুন
Email Button with Image

আমাদেরকে ই-মেইল করতে নিচের ই-মেইল বোতামে ক্লিক করুন:

Messenger Button with Image

আপনার ম্যাসেঞ্জার থেকে চ্যাট করতে নিচের ম্যাসেঞ্জার বোতামে ক্লিক করুন:

Messenger Icon ম্যাসেঞ্জার